Showing posts with label Lifestyle. Show all posts
Showing posts with label Lifestyle. Show all posts

খুশকি তাড়ানোর উপায় জনুন আর মুক্তি পান!

10:50 AM Add Comment
খুশকি তাড়ানোর উপায় জনুন আর মুক্তি পান!
খুশকির কারণে সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। খুশকি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া। চিরুনি ও চুল মোছার তোয়ালে আলাদা করে রাখা ভালো। চুল খুশকি মুক্ত রাখতে নিয়মিত চিরুনি, তোয়ালে, বালিশের কভার ও চাদর পরিস্কার রাখা প্রয়োজন। এছাড়া ভেজা অবস্থায় চুল না আঁচড়ানো ভালো। এছাড়া খাদ্যাভাসও চুলের খুশকি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এ জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা এবং টাটকা ফল, সবজি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া।খুশকি দূর করতে অনেকেই ছুটে চলেন নামিদামি পার্লারে। কিন্তু যাদের নিয়মিত পার্লারে যাওয়া সম্ভব হয় না। তারা ঘরে বসে নিজেই নিতে পারেন নিজের চুলের যত্ন-

১. দূর্বা ঘাস ও নিমপাতা বাটা, ভিনেগার ও শসার রস মিশিয়ে পেস্ট করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. আমলকি ও শিকাকাই গুঁড়ো, নারকেল তেলের সঙ্গে পেস্ট করে চুলে দিতে হবে। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

৩. পেয়াঁজের রস মাথার তালুতে দিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৪. তুলসি পাতা বাটার সঙ্গে কর্পুর ও লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় আধঘণ্টা রেখে দিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

৫. জবা ফুল, আমলকি ও জলপাই একসঙ্গে বেটে পেস্ট করে চুলে লাগিয়ে, আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু করলে খুশকি কমে যায়।

৬. কাঁচা আমলকি ছেঁচে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় গরম করে অথবা রোদে দুই তিন দিন শুকিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিতে হবে। সপ্তাহে দুদিন সেই তেল মাথায় লাগালে খুশকি চলে যাবে।

৭. চুলে শ্যাম্পু করার আগে মাথায় গরম তোয়ালের ভাপ দিতে হবে।

৮. মেথি বাটা, আমলকির রস, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই, পানিতে পেস্ট করে মাথায় দিয়ে, আধঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৯. লেবু খুশকি দূর করে। চুল শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে লেবু মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

আপনার সহকর্মী কতটুকু নির্ভরযোগ্য

6:15 AM Add Comment
আপনার সহকর্মী কতটুকু নির্ভরযোগ্য
ছবি: রয়টার্স।
কর্মক্ষেত্রে সবারই আশা থাকে বন্ধুসুলভ পরিবেশ। তবে অনেক ক্ষেত্রে চাওয়া আর পাওয়ার অমিল ঘটতেই পারে। 

জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, কর্মক্ষেত্রে কথা বলা, সহযোগিতা অথবা বিপদে পড়লে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়ার জন্য বন্ধু দরকার।

মনে রাখা প্রয়োজন যে, কর্মক্ষেত্রে কেউ খারাপ সম্পর্ক সৃষ্টি করতে চায় না। এবং সহকর্মী বা উচ্চপদস্থ কাউকে নিয়ে নিন্দা বা সমালোচনা করাও ঠিক নয়।

তবে যাদের মধ্যে এরকম ভাব দেখা যায় বা সম্পর্ক খারাপের কাজ করে তাদের সঙ্গে সচেতন ভাবে মেশা প্রয়োজন। কারণ তারা যে অন্যের বিষয়ে নাক গলাতে পছন্দ করে এটি তার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

আপনার সম্পর্ক বা পারিবারিক সমস্যা সম্পর্কে সহকর্মী জেনে থাকলে পরে তার সঙ্গে সম্পর্কে খারাপ হলে তিনি তা অন্যের কাছে বলে বেড়াতে পারেন। অনেক সময় তাকে বলা মনের কথা বিপদে ফেলতে পারে আপনাকেই। তাই যতটা সম্ভব কর্মক্ষেত্রে আবেগ এড়িয়ে চলুন ও গোলমাল থেকে দূরে থাকুন।

যা করণীয়

- সহকর্মীর সঙ্গে উচ্চপদস্থের নামে সমালোচনা বা বদনাম করবেন না। সে আপনার খুব কাছের বন্ধু হলেও না। কারণ কর্মক্ষেত্রে কে আপনাকে পেছন থেকে ছুরি মারবে তা জানতেও পারবেন না।

- সহকর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় বা সমস্যা নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলুন। কাউকে নিজের কথা শোনাতে গিয়ে ব্যক্তিগত কথা ‘ভাইরাল’ বা অন্যের কাছে আলোচনার খোরাক তৈরি করার কোনো প্রয়োজন নেই।

- সহকর্মীর ব্যক্তিগত বিষয়ে যদি চাক্ষুষ সাক্ষী হয়েও থাকেন তা নিয়ে অন্য সহকর্মীর সঙ্গে আলোচনা করবেন না।

'স্বাস্থ্যকর' যে ৫ খাবার আসলেই আপনাকে 'মোটা' বানাচ্ছে

5:38 AM Add Comment

'স্বাস্থ্যকর' যে ৫ খাবার আসলেই আপনাকে 'মোটা' বানাচ্ছে

শরীর থেকে বাড়তি মেদ আদৌও ঝরেছে কিনা, তার সিকিটুকুও বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রতিদিনের ডায়েট অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিন্তু ফল পাচ্ছেন শূন্য।'

ওজন ঝরানোর জন্য রোজ ডায়েট মেনু মেনে চলেন আপনি। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী  আপনি প্রচুর কসরতও করছেন। কিন্তু শরীর থেকে বাড়তি মেদ আদৌও ঝরেছে কিনা, তার সিকিটুকুও বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রতিদিনের ডায়েট অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিন্তু ফল পাচ্ছেন শূন্য। সমীক্ষা বলছে, রোজকার ডায়েটের স্বাস্থ্যকর খাবারেও রয়েছে ফ্যাট। দিনে দিনে রোগা তো দূরের কথা, প্রতিদিন আপনি মোটা হচ্ছেন। ফলে আপনি যদি এখনই সাবধান না হোন, তাহলে বিপদ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে তা বলাই বাহুল্য। এবার দেখে নিন, কোন কোন খাবারে ডায়েটের জন্য উপযুক্ত নয়-

কৃত্রিম চিনি :

কৃত্রিম চিনি :
কোনও কৃত্রিম জাতীয় প্রোডাক্ট না খাওয়াই ভালো। যেকোনও ব্র্যান্ডের কৃত্রিম চিনিই নানারকম রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। আমাদের শরীর এই ধরনের খাবার  হজম করতে পারে না। ল্যাবরেটরিজে তৈরি হওয়া এই বিষাক্ত কৃত্রিম চিনি শরীরে জন্য আদতে কোনওরকম কাজে আসে না। তাই বাড়তি হিসেবে শরীরে মেদ তৈরি করে এই  আর্টিফিশিয়াল সুইটনার।

সোয়া মিল্ক


সোয়া মিল্ক :
অনেকেই বলেন, সোয়া মিল্ক নাকি ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। ভুল বলেন তাঁরা। উল্লেখ্য, সোয়া মিল্কে মেশানো থাকে নানারকম রাসায়নিক পদার্থ। শরীরকে ফিট  রাখতে ও রোগা হতে অনেকেই প্রতিদিন সোয়া মিল্ক খান। মুদিখানার দোকানে যেসব  প্রোডাক্ট তাকে, সেগুলি অনেক কম গুণমানের এবং খুব বেশি প্রসেসড। ফলে শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মেদ জমাতে সোয়া মিল্কের তুলনা নেই।

মারজারিন

মারজারিন :  
এককথায় কৃত্রিম বাটার। শরীরে মেদ ঠেকাতে বাড়িতেই বানিয়ে রাখুন বাটার। যা মারজারিনের থেকে অনেক সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকরও বটে। বাড়ির তৈরি বাটারেও ফ্যাট থাকে, কিন্তু সেটা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। এছাড়া বাড়িতে বানানো  বাটার শরীরের মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় শক্তি জোগায়। 

সংরক্ষিত জুস

সংরক্ষিত জুস :
প্রতিটি প্রিজারভ্যাটিভ জুসেই থাকে চিনির রস। শুধু জুসেই নয়, যেকোনও সফট  ড্রিঙ্কসগুলোতেও চিনি দেওয়া তাকে। আপনি ভাবছেন কতটা আবার চিনি থাকবে। একটি বোতলে জুস যতটা দেখা যায়, ঠিক সেই একই পরিমান চিনি থাকে তাতে। সংরক্ষিত জুস খাওয়ার ফলে শরীরে ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। বাড়তে থাকে অবাঞ্ছিত মেদও। এছাড়া এই জুস না খাওয়ার আর একটা কারণ রয়েছে। সমীক্ষা বলছে, প্রতিটি প্রিজারভেটিভ জুসে যেমন প্রচুর চিনি থাকে, তেমনি থাকে রাসায়নিক রঙ ও পদার্থও।

গমের পাউরুটি

গমের পাউরুটি :
যাঁরা ডায়েট করেন, তাঁরা সকলেই গমের পাউরুটি খান। কিন্তু জানেন কি, এই সুস্বাদু গমের পাউরুটিতে থাকে রাসায়নিক পদার্থ। খেতে ভালো হলেও এটি শরীরে জন্য একেবারেই  প্রযোজ্য নয়। গমের পাউরুটি বললেও, আদতে গম দিয়ে তৈরি হয় না। নানারকম পরিবর্তিত জিনিসপত্র দিয়ে এই পাউরুটি তৈরি হয়। ফলে গমের নামে শরীরে প্রবেশ করে বিষাক্ত পাউরুটি। যা শুধু বাড়তি মেদই জমায় না, মারণরোগের অনুঘটকও বলতে পারেন।