Showing posts with label headline. Show all posts
Showing posts with label headline. Show all posts

খুশকি তাড়ানোর উপায় জনুন আর মুক্তি পান!

10:50 AM Add Comment
খুশকি তাড়ানোর উপায় জনুন আর মুক্তি পান!
খুশকির কারণে সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। খুশকি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া। চিরুনি ও চুল মোছার তোয়ালে আলাদা করে রাখা ভালো। চুল খুশকি মুক্ত রাখতে নিয়মিত চিরুনি, তোয়ালে, বালিশের কভার ও চাদর পরিস্কার রাখা প্রয়োজন। এছাড়া ভেজা অবস্থায় চুল না আঁচড়ানো ভালো। এছাড়া খাদ্যাভাসও চুলের খুশকি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এ জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা এবং টাটকা ফল, সবজি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া।খুশকি দূর করতে অনেকেই ছুটে চলেন নামিদামি পার্লারে। কিন্তু যাদের নিয়মিত পার্লারে যাওয়া সম্ভব হয় না। তারা ঘরে বসে নিজেই নিতে পারেন নিজের চুলের যত্ন-

১. দূর্বা ঘাস ও নিমপাতা বাটা, ভিনেগার ও শসার রস মিশিয়ে পেস্ট করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. আমলকি ও শিকাকাই গুঁড়ো, নারকেল তেলের সঙ্গে পেস্ট করে চুলে দিতে হবে। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

৩. পেয়াঁজের রস মাথার তালুতে দিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৪. তুলসি পাতা বাটার সঙ্গে কর্পুর ও লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় আধঘণ্টা রেখে দিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

৫. জবা ফুল, আমলকি ও জলপাই একসঙ্গে বেটে পেস্ট করে চুলে লাগিয়ে, আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু করলে খুশকি কমে যায়।

৬. কাঁচা আমলকি ছেঁচে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় গরম করে অথবা রোদে দুই তিন দিন শুকিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিতে হবে। সপ্তাহে দুদিন সেই তেল মাথায় লাগালে খুশকি চলে যাবে।

৭. চুলে শ্যাম্পু করার আগে মাথায় গরম তোয়ালের ভাপ দিতে হবে।

৮. মেথি বাটা, আমলকির রস, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই, পানিতে পেস্ট করে মাথায় দিয়ে, আধঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৯. লেবু খুশকি দূর করে। চুল শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে লেবু মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

আবেদনময়ীর চেয়ে একটুখানি বেশি আবেদনময়ী

10:24 AM Add Comment
রিয়া সেন আবেদনময়ীর চেয়ে একটুখানি বেশি আবেদনময়ী

যখন কেবল উনিশ বছরের তরুণী, তখন বলিউডে যাত্রা শুরু করেছিলেন রিয়া সেন। সেই ২০০১ সালের কথা। বয়স এখন ছত্রিশ। ক্যারিয়ারে হিন্দি ছবির সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটি। ২০০১ সালে ‘স্টাইল’, ২০০৩ সালে ‘ঝংকার বিটস’, ২০০৫ সালে করেছেন ‘আপনা সাপনা মানি মানি’। বেশির ভাগ সময় আবেদনময়ী চরিত্রের প্রস্তাবই বেশি পেয়ে এসেছেন তিনি। এখন আবেদন বা সেক্সি শব্দটি তাঁকে আর টানে না।

এ বিষয়ে রিয়া সেন বলেছেন, ‘আবেদনময়ী শব্দটি দিয়ে এই ইন্ডাস্ট্রি কী বোঝায় জানি না। তারা চায় আমি ছোট স্কার্ট পরি। ব্যাস, হয়ে গেল? একেই আবেদনময়ী বলে? আমার তো মনে হয়, এর মানে হচ্ছে আরও বেশি ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠা। আবেদনময়ী বলে ডাকলে আপত্তি নেই, আমি কিন্তু আবেদনময়ীর চেয়ে একটুখানি বেশি।’

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই রিয়া সেন ধরে রেখেছিলেন এই ব্যক্তিত্ব। সে জন্যই ভূরি ভূরি হিন্দি ছবি করেননি তিনি। চাওয়া ছিল, শুধু আবেদনময় দৃশ্যের নায়িকা হিসেবেই নয়, তাঁর ব্যক্তিত্বের মূল্যটাও বুঝুক ইন্ডাস্ট্রি। তিনি বলেছেন, ‘টালিগঞ্জের পরিচালকেরা আমাকে এমন সব ছবিতে নিয়েছেন, যেগুলোতে চরিত্র ফুটিয়ে তোলার ব্যাপার ছিল। যে ছবিগুলোতে মানুষকে চমক দেওয়ার বদলে গল্পটি উপস্থাপনের বিষয় ছিল। আমি আসলে ওই ছবিগুলোই করতে চেয়েছি। মানুষ আমাকে যেভাবে দেখতে চাইবে, সেভাবেই পর্দায় আসব, এমন অভিনেত্রী আমি নই। কলকাতার ছবিগুলো নিজেকে প্রমাণ করতে সাহায্য করেছে আমাকে।’

বড্ড অসময়ে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন স্বীকার করে রিয়া বলেন, ‘অল্প বয়সে বলিউডে কাজ শুরু করেছিলাম। কাউকে চিনতাম না, ইন্ডাস্ট্রির কিছুই বুঝতাম না। এখন বয়স বেড়েছে, পরিপক্ব হয়েছি। এখন আমি জানি, আমি কী চাই। আমি মনে করি, চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু বদলে যাচ্ছে। অভিনেত্রীদের ভূমিকানির্ভর চরিত্র বাড়ছে।’

সম্প্রতি রিয়া সেনকে দেখা গেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য একটি হিন্দি ছবিতে। ‘লোনলি গার্ল’ নামের সেই ছবিতে একজন সমকামী নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমস।

আবারও পোস্টার চুরি করল বাহুবলী!

10:13 AM Add Comment
আবারও পোস্টার চুরি করল বাহুবলী!

‘বাহুবলী টু’ ছবির পোস্টার এবং ‘ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেইজ’‘বাহুবলী টু’ ছবির পোস্টার এবং ‘ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেইজ’এখন পর্যন্ত এস এস রাজামৌলির ‘বাহুবলী’কে ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

এপ্রিলে এই ছবির দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন’-এর জন্যও কোটি কোটি রুপি ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু ছবির অফিশিয়াল পোস্টারটি চুরি করা হয়েছে কিছুদিন আগে মুক্তি পাওয়া আন্তর্জাতিক ছবি ‘ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেইজ’-এর পোস্টার থেকে।

দীপিকা পাড়ুকোন ও ভিন ডিজেল অভিনীত ‘ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেইজ’ মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারিতে। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এর অফিশিয়াল পোস্টারও টনি জায়ের বিখ্যাত ছবি ‘অং বাক টু’-এর পোস্টারের হুবহু নকল ছিল। বলিউড বাবল।

তথ্যসূত্র : প্রথমআলো অনলাইন।

কোন টেস্টের মাধ্যমে জানা যাবে একটি মেয়ে কতজনের সাথে মিলন করছে?

9:36 AM Add Comment
কোন টেস্টের মাধ্যমে জানা যাবে একটি মেয়ে কতজনের সাথে মিলন করছে?

আমি এটা জানতে চাই, কোন মেডিকেল পরীক্ষা করলে জানা যাবে যে মেয়েটি কতজন ছেলের সাথে সেক্স করছে?ফরেনসিক টেষ্ট এর মাধ্যমে জানা যায় একটি মেয়ে কতজন পুরুষের সাথে মিলন করেছে। ছেলে ও মেয়ের প্রথম সেক্স করার সমই ছেলেটি মেয়ের যোনি দেখে কিভাবে বুঝবে যে মেয়েটি এটাই প্রথম সেক্স করছে, নাকি এর আগেও কারো সাথে করেছে?প্রথম কয়েক বার সেক্স করলেউ যোনির কোন পরিবর্তন হয়না, আর প্রথম সেক্সে রক্ত বের না হলেই যে মেয়েটি কুমারি নয় এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।মেয়েদের যোনি মুখে একটা পাতলা পরদা থাকে,এবং সেটাই হলো সতি পরদা।

এটা অনেক কারনেই ফেটে যেতে পারে যেমন,সাঁতার কাটার সময়,সাইকেল চালানোর সময়,বেশি দৌর ঝাপ করলে ফেটে যায়।তাই রক্ত বের হতেই হবে এমন কোন কথা নেই।নারীর কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য তৈরী হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার মেয়েদের মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী আর নয় অনেকে মনে করেন প্রথম সহবাস করলে মেয়েদের জনী দ্বার থেকে রক্তপাত না হলে সে ভার্জিন নয়। এ আসলে ঠিক না। কারণ কোন রকম হস্তমৈথুন বা সহবাস করার আগেই একটি মেয়ে ভর্জিনিটি হারাতে পারে। তবে এখন বুঝা যাবে আসলে নারী সহবাসের মাধ্যমে ভার্জিনিটি হারিয়েছে নাকি অন্য


কোন স্বাভাবিক কারনে(খেলাধূলা, সাঁতার বা কোন ভারী কাজের মাধ্যমে) হারিয়েছে।কারণ এখন ভার্জিনিটি টেষ্ট করার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে ভার্জিনিটি টেষ্টার। বিয়েরপর স্বামী যেমন স্ত্রীকে মিথ্য দোয়ারোপ করতে পারবে না, তেমনি স্ত্রীও কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কৃমারিত্ব হারালেও বুঝা যাবে।

কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য আবিষ্কার হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার :
বিভিন্ন দেশের কুমারীরা তাদেরকে কুমারীত্ব দাবী করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম, ফেজবুক, টুইটারে লিখেন। তবে এবার মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী করার দিন শেষ হল ভার্জিনিটি টেষ্টারের আবিষ্কারের ফলে। ।
তাদের জন্য দুঃখের সংবাদ এবার কুমারিত্ব পরীক্ষা নিরিক্ষা করার জন্য চীনের ফুয়াং ইজং কোম্পানীর গাইণী বিশেষজ্ঞদল একটি টেষ্টার তৈরি করেছে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার আর এই টেষ্টারটি ণির্ণয় করতে সক্ষমহবে কুমারিত্ব ।কোম্পানীর মার্কেটিং ম্যানেজার সাওরূণ এমন চ্যালেঞ্চ করার মত তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কতজন পুরুষের সাথে মেলামেশা করেছে এমন তথ্যও।

দিতে সক্ষম হবে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার । তবে এজন্য কাজ চলছে বর্তমানে ভার্জিনিটি টেষ্টারটি কুমারিত্ব সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। বিপণন বিভাগ থেকে আরো জানান, চৌকস গাইনী বিশেষজ্ঞ দল এই ভার্জিনিটি টেষ্টারটি আবিষ্কার করেছেন। এর মুল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশী টাকায় ১২ হাজার ৩০০ টাকা এবং ডলারে ১৪৫ ডলার। ভার্জিনিটি টেষ্টারটি যেকোন ব্যক্তি ইচ্ছে করলেই ব্যাবহার করার চেষ্টাও করতে পারবে না। তবে আদালত কর্তৃক নির্দেশের প্রয়োজন রয়েছে।

লিউকেমিয়ার যে ৬ টি লক্ষণের বিষয়ে জানা প্রয়োজন প্রতি নারীর

12:30 AM Add Comment
লিউকেমিয়ার যে ৬ টি লক্ষণের বিষয়ে জানা প্রয়োজন প্রতি নারীর
মডেল: সাদিয়া আফরোজ, ছবি : নূর, প্রিয়.কম।

শরীরের বেশিরভাগ নতুন রক্তকোষই অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো থেকে উৎপন্ন হয় যা অস্থির গোলাকার প্রান্তে থাকা চর্বি জাতীয় পদার্থ। যারা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হন তাদের নতুন রক্ত কোষগুলো পরিবর্তিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এর পর এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এভাবেই রোগের উন্নতি ঘটতে থাকে। বোস্টনের ডানা হারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এর এডাল্ট লিউকেমিয়া প্রোগ্রাম এর ক্লিনিক্যাল ডাইরেক্টর এবং এমডি মারথা অয়াডলেইজ বলেন, ‘পূর্ণ বয়স্কদের জন্য ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক যেকোন মানুষের লিউকেমিয়া হতে পারে’
 
মিশরের ইনফরমেশন রিসোর্স সেন্টারের দ্যা লিউকেমিয়া এন্ড লিম্ফোমা সোসাইটি এর তথ্য বিশেষজ্ঞ মেরেডিথ বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করে বলেন, রক্তকোষের পরিবর্তনের ধরনের উপর এবং কত দ্রুত কোষের উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয় তার উপর নির্ভর করে লিউকেমিয়াকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।
বার্নহার্ট এবং অয়াডলেইজ উভয়েই পরিষ্কারভাবে বলেন যে, লিউকেমিয়ার কোন একক লক্ষণ নেই। ‘উপসর্গ লিউকেমিয়ার বিভিন্ন ধরনের উপর নির্ভর করে’। কিন্তু পূর্ণবয়স্কদের লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা যায়। সেগুলোর বিষয়েই জানবো আজ। 

১। ফ্যাকাসে ত্বক
লিউকেমিয়া হলে ক্যান্সারের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ নতুন রক্তকোষ বোন ম্যারো ও আক্রান্ত হয় বলে স্বাস্থ্যকর কোষের জন্মগ্রহণ কঠিন হয়ে পরে। বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করেন, ‘স্বাস্থ্যকর কোষের সংখ্যা কম থাকার কারণে (লিউকেমিয়া হওয়ার কারণে) আপনার অ্যানেমিয়া হতে পারে বলে ত্বক  ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে’ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘রক্তস্বল্পতার কারণে হাত সব সময় ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে’।

২। ক্লান্তি
অন্যান্য রোগের মত লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রেও সাধারণ উপসর্গ হচ্ছে ক্লান্তি। অয়াডলেইজ বলেন, যদি আপনার সব সময় নিজেকে অবসন্ন মনে হয় এবং বিশেষ করে শক্তির ঘাটতির কারণেই যদি আপনি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন অনুভব করেন তাহলে আপনার চিকিৎসককে বলুন। অ্যানেমিয়ার কারণেও ক্লান্তি অনুভব হতে পারে।

৩। সংক্রমণ অথবা জ্বর
আপনার ইমিউন সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে রক্তকোষ। যদি তারা অস্বাস্থ্যকর হয় তাহলে আপনি খুব ঘন ঘন অসুস্থ হতে পারেন। অয়াডলেইজ বলেন, ‘সংক্রমণ বা জ্বর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ যা আমরা দেখি’।   

৪। শ্বাসকষ্ট
বার্নহার্ট বলেন, শক্তির অভাব অনুভব করার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট অনুভব করার প্রতিও নজর দেয়া উচিৎ। বিশেষ করে শরীরচর্চার সময় যদি শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তাহলে তা আপনার চিকিৎসককে জানানো উচিৎ। 

৫। নিরাময় হয় খুব ধীরে
বার্নহার্ট বলেন, যদি আপনার শরীরের কেটে যাওয়া স্থানটি শুকাতে খুব বেশি সময় নেয় অথবা যদি খুব দ্রুত ঘা হয় তাহলে আপনার লিউকেমিয়ার সমস্যার কারণে এমন হতে পারে।  যদি আপনার ত্বকে ছোট ছোট লাল বিন্দু দেখতে পান যা আসলে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হয়, তাহলে তা হতে পারে লিউকেমিয়ার লক্ষণ। অয়াডলেইজ বলেন, সাধারণত শরীরের নিম্নাংশে হয়ে থাকে এই ধরনের লাল লাল দাগ। 

৬। অন্যান্য উপসর্গ
বার্নহার্ট বলেন, উপরের ৫ টি উপসর্গ না থাকলেও রাতে ঘেমে যাওয়া, জয়েন্টে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলোও লিউকেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত। অয়েডলেইজ বলেন, ওজন কমার লক্ষণ থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। তিনি আরো কিছু সম্ভাব্য লক্ষণের কথা বলেন যেমন- নাক দিয়ে রক্ত পড়া, লিম্ফনোড ফুলে যায় বা বৃদ্ধি পায়, জ্বর থাকতে পারে বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে। 

সূত্র : প্রিভেনশন

ইন্সটলের আগেই অ্যাপ কেমন, তা দেখার সুযোগ দেবে মাইক্রোসফট

12:25 AM Add Comment
ইন্সটলের আগেই অ্যাপ কেমন, তা দেখার সুযোগ দেবে মাইক্রোসফট

সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট এক ঘোষণায় জানিয়েছে, উইন্ডোজ ১০ এর নতুন ফিচারে অ্যাপ ডাউনলোড বা ইন্সটল ছাড়াই স্টোর থেকে অ্যাপটি কীভাবে কাজ করে তা দেখে নেয়া যাবে।  

উইন্ডোজ ডেভ সেন্টারে গত সপ্তাহে এই প্রোগ্রামের প্রিভিউ উন্মুক্ত করা হয়। ব্যবহারকারী যেকোনো অ্যাপ অথবা গেম তিন মিনিটের জন্য স্ট্রিম করতে পারবেন। আর এই সুবিধা ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ইন্সটলের মতোই মনে হবে। নিঃসন্দেহে এই সুবিধা ব্যবহারকারীকে অ্যাপে পয়সা খরচ করবে কি না কিংবা ডাউনলোড করে ডিভাইসের মেমোরি ব্যবহার করবেন কি না সেই সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। তবে নতুন এই ফিচার এখন সীমিত প্রিভিউ আকারে রয়েছে। সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। 

প্রসঙ্গত, গুগল ইতোমধ্যে ‘অ্যান্ড্রয়েড ইন্সট্যান্ট অ্যাপ’ ফিচার নামে একই ধরনের সুবিধা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে, যা চলতি বছরে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। 

সূত্র: দ্য নেক্সট ওয়েব

আপনার সহকর্মী কতটুকু নির্ভরযোগ্য

6:15 AM Add Comment
আপনার সহকর্মী কতটুকু নির্ভরযোগ্য
ছবি: রয়টার্স।
কর্মক্ষেত্রে সবারই আশা থাকে বন্ধুসুলভ পরিবেশ। তবে অনেক ক্ষেত্রে চাওয়া আর পাওয়ার অমিল ঘটতেই পারে। 

জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, কর্মক্ষেত্রে কথা বলা, সহযোগিতা অথবা বিপদে পড়লে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়ার জন্য বন্ধু দরকার।

মনে রাখা প্রয়োজন যে, কর্মক্ষেত্রে কেউ খারাপ সম্পর্ক সৃষ্টি করতে চায় না। এবং সহকর্মী বা উচ্চপদস্থ কাউকে নিয়ে নিন্দা বা সমালোচনা করাও ঠিক নয়।

তবে যাদের মধ্যে এরকম ভাব দেখা যায় বা সম্পর্ক খারাপের কাজ করে তাদের সঙ্গে সচেতন ভাবে মেশা প্রয়োজন। কারণ তারা যে অন্যের বিষয়ে নাক গলাতে পছন্দ করে এটি তার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

আপনার সম্পর্ক বা পারিবারিক সমস্যা সম্পর্কে সহকর্মী জেনে থাকলে পরে তার সঙ্গে সম্পর্কে খারাপ হলে তিনি তা অন্যের কাছে বলে বেড়াতে পারেন। অনেক সময় তাকে বলা মনের কথা বিপদে ফেলতে পারে আপনাকেই। তাই যতটা সম্ভব কর্মক্ষেত্রে আবেগ এড়িয়ে চলুন ও গোলমাল থেকে দূরে থাকুন।

যা করণীয়

- সহকর্মীর সঙ্গে উচ্চপদস্থের নামে সমালোচনা বা বদনাম করবেন না। সে আপনার খুব কাছের বন্ধু হলেও না। কারণ কর্মক্ষেত্রে কে আপনাকে পেছন থেকে ছুরি মারবে তা জানতেও পারবেন না।

- সহকর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় বা সমস্যা নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলুন। কাউকে নিজের কথা শোনাতে গিয়ে ব্যক্তিগত কথা ‘ভাইরাল’ বা অন্যের কাছে আলোচনার খোরাক তৈরি করার কোনো প্রয়োজন নেই।

- সহকর্মীর ব্যক্তিগত বিষয়ে যদি চাক্ষুষ সাক্ষী হয়েও থাকেন তা নিয়ে অন্য সহকর্মীর সঙ্গে আলোচনা করবেন না।

বীর্য বাড়াতে হাতের কাছের এই ৫ খাবারে ভরসা রাখুন

6:09 AM Add Comment
 বীর্য বাড়াতে হাতের কাছের এই ৫ খাবারে ভরসা রাখুন
টেস্টোস্টেরন কম, এমন পুরুষ আমাদের চারপাশে কম নেই। পরীক্ষা না-করানোর কারণে অনেক সময় আমরা তা ধরতেই পারি না। বা নিজেরাও নিজেদের এই খামতির কথা জানি না। টেস্টোস্টেরন বা পুরুষ হরমোন কম হওয়ার একটা কারণ নিয়মিত উচ্চ ফ্যাট যুক্ত খাবার। সেইসঙ্গে ব্যায়ামে অনিহা। বাণিজ্যিক দুধের মতো যাতে উচ্চমাত্রায় ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে বা মাইক্রোওয়েভে তৈরি রান্নাও কিন্তু টেস্টোস্টেরনের বারোটা বাজায়। আর এই টেস্টোস্টেরন তৈরিতে বাধা মানে কামশক্তির দফারফা। আমেরিকার মতো দেশেও প্রতিবছর গড়ে ৫ লক্ষ করে পুরুষের টেস্টোস্টেরন ঘাটতি ধরা পড়ে। মনে রাখবেন আপনার ভুঁড়ি যত বাড়বে, যত শরীরে মেদ জমবে, টেস্টোস্টেরন সেই অনুপাতেই কমবে। তাই টেস্টোস্টেরন বাড়াতে হলে শরীরে মেদ জমতে দেবেন না। এ জন্য ঘাম ঝরাতে হবে।


এই ৪ টেস্টোস্টেরন ঘাতক

১. বাণিজ্যিক দুধ, দই ও চিজ
২. প্যাকেটজাত ও খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ করা খাবারদাবার
৩. সোয়াভিত্তিক খাবার
৪. মাইক্রোওয়েভে তৈরি খাবার

এস্ট্রোজেনিক ও প্রোজেস্টেরন যৌগ থাকায় এই খাবারগুলো ছেলেদের যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এস্ট্রোজেন বাড়লে টেস্টোস্টেরন হরমোন স্বাভাবিক ভাবেই কমবে। ক্রমে গড়নে মেয়েলি কিছু লক্ষণ প্রকাশ পাবে।

যে পাঁচ খাবারে টেস্টোস্টেরন বাড়ে:


১. গোটা ডিম
২. গোমাংস (ঘাস খায় এমন গোরুর)
৩. অ্যালমন্ডস
৪. কাজুবাদাম
৫. নারকেল তেল

উপরে উল্লিখিত খাবারগুলো হল স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত ফ্যাটের উত্‍‌স, যার মধ্যে থাকে কোলেস্টেরল। যে কোলেস্টেরল থেকে আমাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন তৈরি হয়। তা বলে বেশি বেশি সম্পৃক্ত ফ্যাট আবার না-খাওয়াই ভালো। একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। খুব কম খেলে যেমন শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা একদম কমে যাবে, আবার বেশিমাত্রায় হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

জার্নাল অফ অ্যাপলায়েড ফিজিওলজির একটি রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, খাদ্যতালিকায় ৪০ শতাংশ ফ্যাট টেস্টোস্টেরনের মাত্রা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। সেই তুলনায় যাঁদের খাবারে ২০ শতাংশ ফ্যাট থাকে, তাঁদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও খুব কম।

পেটের দায়ে গায়ের চামড়া বেচছেন মেয়েরা, তৈরি হচ্ছে স্তন আর লিঙ্গবর্ধক ওষুধ

6:01 AM Add Comment
পেটের দায়ে গায়ের চামড়া বেচছেন মেয়েরা, তৈরি হচ্ছে স্তন আর লিঙ্গবর্ধক ওষুধ

স্তনের আকারে পরিবর্তন চাই? একটা অপারেশনেই মিলবে পছন্দের সাইজ! গোপনাঙ্গের বৃদ্ধি পছন্দ নয়? অপারেশন করিয়ে পালটে নেওয়া যাবে। এমন বিজ্ঞাপন বহু দেখা যায়। সমাজের একটি অংশ ‘ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট’ বা ‘এনলার্জ’ করার এই পদ্ধতিতে সামিলও হয়। কিন্তু, কৃত্রিম বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় চামড়া কোথা থেকে আসে?

‘গরিবদের চামড়া বিক্রি করে’। বিস্ফোরক দাবি ইয়ুথ কি আওয়াজ ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে। চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গরিব নেপালি মহিলাদের প্রতারণা করে এই চামড়া বিক্রিতে বাধ্য করা হয়। আরও অভিযোগ, কসমেটিকের বাজারে এই চামড়া বিক্রি করা হয় ১০ হাজার টাকা প্রতি ১৩০ স্কোয়ার সেন্টিমিটার বা প্রতি ২০ বর্গ ইঞ্চি। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই নরেচড়ে বসেছে নেপাল সরকার। দেশের নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী কুমার খাদকা জানিয়েছেন, ‘এই খবর শুনে আমরা স্তম্ভিত। সরকার এর তদন্ত করবে এবং দোষীদের শাস্তি দেবে।’

নেপালে নারী ও শিশু পাচার এবং দেহব্যবসার খবর প্রায়ই শিরোনামে থাকে। কিন্তু, এই প্রথম চামড়া পাচারের অভিযোগ উঠেছে। ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, নেপাল থেকে যুবতী, মহিলাদের পাচার করা হয় ভারতের শহরগুলিতে। সেখানে যৌনপল্লিতে তাঁদের বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর কয়েক বছর পর ড্রাগ দিয়ে বেহুঁশ অস্ত্রোপচারের পর তাঁদের চামড়া বের করা হয়। যা পাঠানো হয় ভারতের বিভিন্ন ল্যাবে। সেখানে সেই চামড়ার প্রক্রিয়াকরণের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়। সেখানেই কসমেটিক সার্জারির কাজে ব্যবহৃত হয় ওই চামড়া।

'স্বাস্থ্যকর' যে ৫ খাবার আসলেই আপনাকে 'মোটা' বানাচ্ছে

5:38 AM Add Comment

'স্বাস্থ্যকর' যে ৫ খাবার আসলেই আপনাকে 'মোটা' বানাচ্ছে

শরীর থেকে বাড়তি মেদ আদৌও ঝরেছে কিনা, তার সিকিটুকুও বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রতিদিনের ডায়েট অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিন্তু ফল পাচ্ছেন শূন্য।'

ওজন ঝরানোর জন্য রোজ ডায়েট মেনু মেনে চলেন আপনি। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী  আপনি প্রচুর কসরতও করছেন। কিন্তু শরীর থেকে বাড়তি মেদ আদৌও ঝরেছে কিনা, তার সিকিটুকুও বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রতিদিনের ডায়েট অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিন্তু ফল পাচ্ছেন শূন্য। সমীক্ষা বলছে, রোজকার ডায়েটের স্বাস্থ্যকর খাবারেও রয়েছে ফ্যাট। দিনে দিনে রোগা তো দূরের কথা, প্রতিদিন আপনি মোটা হচ্ছেন। ফলে আপনি যদি এখনই সাবধান না হোন, তাহলে বিপদ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে তা বলাই বাহুল্য। এবার দেখে নিন, কোন কোন খাবারে ডায়েটের জন্য উপযুক্ত নয়-

কৃত্রিম চিনি :

কৃত্রিম চিনি :
কোনও কৃত্রিম জাতীয় প্রোডাক্ট না খাওয়াই ভালো। যেকোনও ব্র্যান্ডের কৃত্রিম চিনিই নানারকম রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। আমাদের শরীর এই ধরনের খাবার  হজম করতে পারে না। ল্যাবরেটরিজে তৈরি হওয়া এই বিষাক্ত কৃত্রিম চিনি শরীরে জন্য আদতে কোনওরকম কাজে আসে না। তাই বাড়তি হিসেবে শরীরে মেদ তৈরি করে এই  আর্টিফিশিয়াল সুইটনার।

সোয়া মিল্ক


সোয়া মিল্ক :
অনেকেই বলেন, সোয়া মিল্ক নাকি ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। ভুল বলেন তাঁরা। উল্লেখ্য, সোয়া মিল্কে মেশানো থাকে নানারকম রাসায়নিক পদার্থ। শরীরকে ফিট  রাখতে ও রোগা হতে অনেকেই প্রতিদিন সোয়া মিল্ক খান। মুদিখানার দোকানে যেসব  প্রোডাক্ট তাকে, সেগুলি অনেক কম গুণমানের এবং খুব বেশি প্রসেসড। ফলে শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মেদ জমাতে সোয়া মিল্কের তুলনা নেই।

মারজারিন

মারজারিন :  
এককথায় কৃত্রিম বাটার। শরীরে মেদ ঠেকাতে বাড়িতেই বানিয়ে রাখুন বাটার। যা মারজারিনের থেকে অনেক সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকরও বটে। বাড়ির তৈরি বাটারেও ফ্যাট থাকে, কিন্তু সেটা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। এছাড়া বাড়িতে বানানো  বাটার শরীরের মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় শক্তি জোগায়। 

সংরক্ষিত জুস

সংরক্ষিত জুস :
প্রতিটি প্রিজারভ্যাটিভ জুসেই থাকে চিনির রস। শুধু জুসেই নয়, যেকোনও সফট  ড্রিঙ্কসগুলোতেও চিনি দেওয়া তাকে। আপনি ভাবছেন কতটা আবার চিনি থাকবে। একটি বোতলে জুস যতটা দেখা যায়, ঠিক সেই একই পরিমান চিনি থাকে তাতে। সংরক্ষিত জুস খাওয়ার ফলে শরীরে ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। বাড়তে থাকে অবাঞ্ছিত মেদও। এছাড়া এই জুস না খাওয়ার আর একটা কারণ রয়েছে। সমীক্ষা বলছে, প্রতিটি প্রিজারভেটিভ জুসে যেমন প্রচুর চিনি থাকে, তেমনি থাকে রাসায়নিক রঙ ও পদার্থও।

গমের পাউরুটি

গমের পাউরুটি :
যাঁরা ডায়েট করেন, তাঁরা সকলেই গমের পাউরুটি খান। কিন্তু জানেন কি, এই সুস্বাদু গমের পাউরুটিতে থাকে রাসায়নিক পদার্থ। খেতে ভালো হলেও এটি শরীরে জন্য একেবারেই  প্রযোজ্য নয়। গমের পাউরুটি বললেও, আদতে গম দিয়ে তৈরি হয় না। নানারকম পরিবর্তিত জিনিসপত্র দিয়ে এই পাউরুটি তৈরি হয়। ফলে গমের নামে শরীরে প্রবেশ করে বিষাক্ত পাউরুটি। যা শুধু বাড়তি মেদই জমায় না, মারণরোগের অনুঘটকও বলতে পারেন।