Showing posts with label health. Show all posts
Showing posts with label health. Show all posts

কোন টেস্টের মাধ্যমে জানা যাবে একটি মেয়ে কতজনের সাথে মিলন করছে?

9:36 AM Add Comment
কোন টেস্টের মাধ্যমে জানা যাবে একটি মেয়ে কতজনের সাথে মিলন করছে?

আমি এটা জানতে চাই, কোন মেডিকেল পরীক্ষা করলে জানা যাবে যে মেয়েটি কতজন ছেলের সাথে সেক্স করছে?ফরেনসিক টেষ্ট এর মাধ্যমে জানা যায় একটি মেয়ে কতজন পুরুষের সাথে মিলন করেছে। ছেলে ও মেয়ের প্রথম সেক্স করার সমই ছেলেটি মেয়ের যোনি দেখে কিভাবে বুঝবে যে মেয়েটি এটাই প্রথম সেক্স করছে, নাকি এর আগেও কারো সাথে করেছে?প্রথম কয়েক বার সেক্স করলেউ যোনির কোন পরিবর্তন হয়না, আর প্রথম সেক্সে রক্ত বের না হলেই যে মেয়েটি কুমারি নয় এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।মেয়েদের যোনি মুখে একটা পাতলা পরদা থাকে,এবং সেটাই হলো সতি পরদা।

এটা অনেক কারনেই ফেটে যেতে পারে যেমন,সাঁতার কাটার সময়,সাইকেল চালানোর সময়,বেশি দৌর ঝাপ করলে ফেটে যায়।তাই রক্ত বের হতেই হবে এমন কোন কথা নেই।নারীর কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য তৈরী হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার মেয়েদের মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী আর নয় অনেকে মনে করেন প্রথম সহবাস করলে মেয়েদের জনী দ্বার থেকে রক্তপাত না হলে সে ভার্জিন নয়। এ আসলে ঠিক না। কারণ কোন রকম হস্তমৈথুন বা সহবাস করার আগেই একটি মেয়ে ভর্জিনিটি হারাতে পারে। তবে এখন বুঝা যাবে আসলে নারী সহবাসের মাধ্যমে ভার্জিনিটি হারিয়েছে নাকি অন্য


কোন স্বাভাবিক কারনে(খেলাধূলা, সাঁতার বা কোন ভারী কাজের মাধ্যমে) হারিয়েছে।কারণ এখন ভার্জিনিটি টেষ্ট করার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে ভার্জিনিটি টেষ্টার। বিয়েরপর স্বামী যেমন স্ত্রীকে মিথ্য দোয়ারোপ করতে পারবে না, তেমনি স্ত্রীও কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কৃমারিত্ব হারালেও বুঝা যাবে।

কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য আবিষ্কার হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার :
বিভিন্ন দেশের কুমারীরা তাদেরকে কুমারীত্ব দাবী করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম, ফেজবুক, টুইটারে লিখেন। তবে এবার মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী করার দিন শেষ হল ভার্জিনিটি টেষ্টারের আবিষ্কারের ফলে। ।
তাদের জন্য দুঃখের সংবাদ এবার কুমারিত্ব পরীক্ষা নিরিক্ষা করার জন্য চীনের ফুয়াং ইজং কোম্পানীর গাইণী বিশেষজ্ঞদল একটি টেষ্টার তৈরি করেছে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার আর এই টেষ্টারটি ণির্ণয় করতে সক্ষমহবে কুমারিত্ব ।কোম্পানীর মার্কেটিং ম্যানেজার সাওরূণ এমন চ্যালেঞ্চ করার মত তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কতজন পুরুষের সাথে মেলামেশা করেছে এমন তথ্যও।

দিতে সক্ষম হবে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার । তবে এজন্য কাজ চলছে বর্তমানে ভার্জিনিটি টেষ্টারটি কুমারিত্ব সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। বিপণন বিভাগ থেকে আরো জানান, চৌকস গাইনী বিশেষজ্ঞ দল এই ভার্জিনিটি টেষ্টারটি আবিষ্কার করেছেন। এর মুল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশী টাকায় ১২ হাজার ৩০০ টাকা এবং ডলারে ১৪৫ ডলার। ভার্জিনিটি টেষ্টারটি যেকোন ব্যক্তি ইচ্ছে করলেই ব্যাবহার করার চেষ্টাও করতে পারবে না। তবে আদালত কর্তৃক নির্দেশের প্রয়োজন রয়েছে।

লিউকেমিয়ার যে ৬ টি লক্ষণের বিষয়ে জানা প্রয়োজন প্রতি নারীর

12:30 AM Add Comment
লিউকেমিয়ার যে ৬ টি লক্ষণের বিষয়ে জানা প্রয়োজন প্রতি নারীর
মডেল: সাদিয়া আফরোজ, ছবি : নূর, প্রিয়.কম।

শরীরের বেশিরভাগ নতুন রক্তকোষই অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো থেকে উৎপন্ন হয় যা অস্থির গোলাকার প্রান্তে থাকা চর্বি জাতীয় পদার্থ। যারা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হন তাদের নতুন রক্ত কোষগুলো পরিবর্তিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এর পর এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এভাবেই রোগের উন্নতি ঘটতে থাকে। বোস্টনের ডানা হারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এর এডাল্ট লিউকেমিয়া প্রোগ্রাম এর ক্লিনিক্যাল ডাইরেক্টর এবং এমডি মারথা অয়াডলেইজ বলেন, ‘পূর্ণ বয়স্কদের জন্য ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক যেকোন মানুষের লিউকেমিয়া হতে পারে’
 
মিশরের ইনফরমেশন রিসোর্স সেন্টারের দ্যা লিউকেমিয়া এন্ড লিম্ফোমা সোসাইটি এর তথ্য বিশেষজ্ঞ মেরেডিথ বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করে বলেন, রক্তকোষের পরিবর্তনের ধরনের উপর এবং কত দ্রুত কোষের উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয় তার উপর নির্ভর করে লিউকেমিয়াকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।
বার্নহার্ট এবং অয়াডলেইজ উভয়েই পরিষ্কারভাবে বলেন যে, লিউকেমিয়ার কোন একক লক্ষণ নেই। ‘উপসর্গ লিউকেমিয়ার বিভিন্ন ধরনের উপর নির্ভর করে’। কিন্তু পূর্ণবয়স্কদের লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা যায়। সেগুলোর বিষয়েই জানবো আজ। 

১। ফ্যাকাসে ত্বক
লিউকেমিয়া হলে ক্যান্সারের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ নতুন রক্তকোষ বোন ম্যারো ও আক্রান্ত হয় বলে স্বাস্থ্যকর কোষের জন্মগ্রহণ কঠিন হয়ে পরে। বার্নহার্ট ব্যাখ্যা করেন, ‘স্বাস্থ্যকর কোষের সংখ্যা কম থাকার কারণে (লিউকেমিয়া হওয়ার কারণে) আপনার অ্যানেমিয়া হতে পারে বলে ত্বক  ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে’ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘রক্তস্বল্পতার কারণে হাত সব সময় ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে’।

২। ক্লান্তি
অন্যান্য রোগের মত লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রেও সাধারণ উপসর্গ হচ্ছে ক্লান্তি। অয়াডলেইজ বলেন, যদি আপনার সব সময় নিজেকে অবসন্ন মনে হয় এবং বিশেষ করে শক্তির ঘাটতির কারণেই যদি আপনি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন অনুভব করেন তাহলে আপনার চিকিৎসককে বলুন। অ্যানেমিয়ার কারণেও ক্লান্তি অনুভব হতে পারে।

৩। সংক্রমণ অথবা জ্বর
আপনার ইমিউন সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে রক্তকোষ। যদি তারা অস্বাস্থ্যকর হয় তাহলে আপনি খুব ঘন ঘন অসুস্থ হতে পারেন। অয়াডলেইজ বলেন, ‘সংক্রমণ বা জ্বর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ যা আমরা দেখি’।   

৪। শ্বাসকষ্ট
বার্নহার্ট বলেন, শক্তির অভাব অনুভব করার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট অনুভব করার প্রতিও নজর দেয়া উচিৎ। বিশেষ করে শরীরচর্চার সময় যদি শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তাহলে তা আপনার চিকিৎসককে জানানো উচিৎ। 

৫। নিরাময় হয় খুব ধীরে
বার্নহার্ট বলেন, যদি আপনার শরীরের কেটে যাওয়া স্থানটি শুকাতে খুব বেশি সময় নেয় অথবা যদি খুব দ্রুত ঘা হয় তাহলে আপনার লিউকেমিয়ার সমস্যার কারণে এমন হতে পারে।  যদি আপনার ত্বকে ছোট ছোট লাল বিন্দু দেখতে পান যা আসলে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হয়, তাহলে তা হতে পারে লিউকেমিয়ার লক্ষণ। অয়াডলেইজ বলেন, সাধারণত শরীরের নিম্নাংশে হয়ে থাকে এই ধরনের লাল লাল দাগ। 

৬। অন্যান্য উপসর্গ
বার্নহার্ট বলেন, উপরের ৫ টি উপসর্গ না থাকলেও রাতে ঘেমে যাওয়া, জয়েন্টে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলোও লিউকেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত। অয়েডলেইজ বলেন, ওজন কমার লক্ষণ থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। তিনি আরো কিছু সম্ভাব্য লক্ষণের কথা বলেন যেমন- নাক দিয়ে রক্ত পড়া, লিম্ফনোড ফুলে যায় বা বৃদ্ধি পায়, জ্বর থাকতে পারে বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে। 

সূত্র : প্রিভেনশন

বীর্য বাড়াতে হাতের কাছের এই ৫ খাবারে ভরসা রাখুন

6:09 AM Add Comment
 বীর্য বাড়াতে হাতের কাছের এই ৫ খাবারে ভরসা রাখুন
টেস্টোস্টেরন কম, এমন পুরুষ আমাদের চারপাশে কম নেই। পরীক্ষা না-করানোর কারণে অনেক সময় আমরা তা ধরতেই পারি না। বা নিজেরাও নিজেদের এই খামতির কথা জানি না। টেস্টোস্টেরন বা পুরুষ হরমোন কম হওয়ার একটা কারণ নিয়মিত উচ্চ ফ্যাট যুক্ত খাবার। সেইসঙ্গে ব্যায়ামে অনিহা। বাণিজ্যিক দুধের মতো যাতে উচ্চমাত্রায় ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে বা মাইক্রোওয়েভে তৈরি রান্নাও কিন্তু টেস্টোস্টেরনের বারোটা বাজায়। আর এই টেস্টোস্টেরন তৈরিতে বাধা মানে কামশক্তির দফারফা। আমেরিকার মতো দেশেও প্রতিবছর গড়ে ৫ লক্ষ করে পুরুষের টেস্টোস্টেরন ঘাটতি ধরা পড়ে। মনে রাখবেন আপনার ভুঁড়ি যত বাড়বে, যত শরীরে মেদ জমবে, টেস্টোস্টেরন সেই অনুপাতেই কমবে। তাই টেস্টোস্টেরন বাড়াতে হলে শরীরে মেদ জমতে দেবেন না। এ জন্য ঘাম ঝরাতে হবে।


এই ৪ টেস্টোস্টেরন ঘাতক

১. বাণিজ্যিক দুধ, দই ও চিজ
২. প্যাকেটজাত ও খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ করা খাবারদাবার
৩. সোয়াভিত্তিক খাবার
৪. মাইক্রোওয়েভে তৈরি খাবার

এস্ট্রোজেনিক ও প্রোজেস্টেরন যৌগ থাকায় এই খাবারগুলো ছেলেদের যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এস্ট্রোজেন বাড়লে টেস্টোস্টেরন হরমোন স্বাভাবিক ভাবেই কমবে। ক্রমে গড়নে মেয়েলি কিছু লক্ষণ প্রকাশ পাবে।

যে পাঁচ খাবারে টেস্টোস্টেরন বাড়ে:


১. গোটা ডিম
২. গোমাংস (ঘাস খায় এমন গোরুর)
৩. অ্যালমন্ডস
৪. কাজুবাদাম
৫. নারকেল তেল

উপরে উল্লিখিত খাবারগুলো হল স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত ফ্যাটের উত্‍‌স, যার মধ্যে থাকে কোলেস্টেরল। যে কোলেস্টেরল থেকে আমাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন তৈরি হয়। তা বলে বেশি বেশি সম্পৃক্ত ফ্যাট আবার না-খাওয়াই ভালো। একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। খুব কম খেলে যেমন শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা একদম কমে যাবে, আবার বেশিমাত্রায় হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

জার্নাল অফ অ্যাপলায়েড ফিজিওলজির একটি রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, খাদ্যতালিকায় ৪০ শতাংশ ফ্যাট টেস্টোস্টেরনের মাত্রা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। সেই তুলনায় যাঁদের খাবারে ২০ শতাংশ ফ্যাট থাকে, তাঁদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও খুব কম।

পেটের দায়ে গায়ের চামড়া বেচছেন মেয়েরা, তৈরি হচ্ছে স্তন আর লিঙ্গবর্ধক ওষুধ

6:01 AM Add Comment
পেটের দায়ে গায়ের চামড়া বেচছেন মেয়েরা, তৈরি হচ্ছে স্তন আর লিঙ্গবর্ধক ওষুধ

স্তনের আকারে পরিবর্তন চাই? একটা অপারেশনেই মিলবে পছন্দের সাইজ! গোপনাঙ্গের বৃদ্ধি পছন্দ নয়? অপারেশন করিয়ে পালটে নেওয়া যাবে। এমন বিজ্ঞাপন বহু দেখা যায়। সমাজের একটি অংশ ‘ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট’ বা ‘এনলার্জ’ করার এই পদ্ধতিতে সামিলও হয়। কিন্তু, কৃত্রিম বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় চামড়া কোথা থেকে আসে?

‘গরিবদের চামড়া বিক্রি করে’। বিস্ফোরক দাবি ইয়ুথ কি আওয়াজ ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে। চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গরিব নেপালি মহিলাদের প্রতারণা করে এই চামড়া বিক্রিতে বাধ্য করা হয়। আরও অভিযোগ, কসমেটিকের বাজারে এই চামড়া বিক্রি করা হয় ১০ হাজার টাকা প্রতি ১৩০ স্কোয়ার সেন্টিমিটার বা প্রতি ২০ বর্গ ইঞ্চি। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই নরেচড়ে বসেছে নেপাল সরকার। দেশের নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী কুমার খাদকা জানিয়েছেন, ‘এই খবর শুনে আমরা স্তম্ভিত। সরকার এর তদন্ত করবে এবং দোষীদের শাস্তি দেবে।’

নেপালে নারী ও শিশু পাচার এবং দেহব্যবসার খবর প্রায়ই শিরোনামে থাকে। কিন্তু, এই প্রথম চামড়া পাচারের অভিযোগ উঠেছে। ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, নেপাল থেকে যুবতী, মহিলাদের পাচার করা হয় ভারতের শহরগুলিতে। সেখানে যৌনপল্লিতে তাঁদের বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর কয়েক বছর পর ড্রাগ দিয়ে বেহুঁশ অস্ত্রোপচারের পর তাঁদের চামড়া বের করা হয়। যা পাঠানো হয় ভারতের বিভিন্ন ল্যাবে। সেখানে সেই চামড়ার প্রক্রিয়াকরণের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়। সেখানেই কসমেটিক সার্জারির কাজে ব্যবহৃত হয় ওই চামড়া।